ক্রীড়া প্রতিবেদক
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুধু মাঠের লড়াইয়েই নয়, আর্থিক পুরস্কারের দিক থেকেও নতুন ইতিহাস গড়ছে। দল ও ম্যাচ সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে ফিফার আয় এবং রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানিও।
ফিফার তথ্য অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপের মোট প্রাইজ ফান্ড ৬৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। আগামী রোববারের ফাইনালে স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যে বিজয়ী দল পাবে ৫ কোটি ডলার, আর রানার্স-আপ দল পাবে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার এবং চতুর্থ দল ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার। কোয়ার্টার ফাইনাল, শেষ ষোল ও শেষ ৩২ থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর জন্যও নির্ধারিত অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অংশ নেওয়া প্রতিটি দল অন্তত ১ কোটি ৫ লাখ ডলার নিশ্চিতভাবে পাচ্ছে।
ফিফা এই অর্থ সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনের কাছে হস্তান্তর করে, পরে তারা খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও ফুটবল উন্নয়নে তা বণ্টন করে। এবারের বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৯৮২ সালে প্রথমবার প্রাইজমানি প্রকাশের সময় চ্যাম্পিয়ন ইতালি পেয়েছিল মাত্র ২২ লাখ ডলার। চার দশকের ব্যবধানে সেই অঙ্ক বেড়ে এবার চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য ৫ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
ফাইনালের পর চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় হওয়া দল যথাক্রমে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক পাবে। পাশাপাশি সেরা খেলোয়াড়, গোলরক্ষক ও সর্বোচ্চ গোলদাতাকে ‘গোল্ডেন বল’, ‘গোল্ডেন গ্লাভস’ ও ‘গোল্ডেন বুট’ দেওয়া হবে। তবে এসব ব্যক্তিগত পুরস্কারের সঙ্গে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হবে না।
