ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। এ সময় বেশকয়েকটি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ভাঙ্গা উপজেলার পুখুরিয়া বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের ব্রাহ্মণকান্দা আব্দুল শরীফ একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে দশম শ্রেণির তামিম (১৫) নামের এক শিক্ষার্থীকে মারপিট করে কয়েকজন কিশোর। তামিম মানিকদহ ইউনিয়নের বাসিন্দা ও হামলাকারীরা হামিরদী ইউনিয়নের বাসিন্দা। এ খবর তামিমের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানিকদহ ইউনিয়নের পুখুরিয়া, ব্রাহ্মণকান্দা, নাজিরপুর গ্ৰামের শত শত লোকজন মারধরের প্রতিবাদে মহাসড়কে নেমে আসে। পাল্টা জবাবে হামিরদী ইউনিয়নের মহেশ্বরদী এলাকার কয়েকটি গ্ৰামের শত শত মানুষ মহাসড়কের অপর প্রান্তে অবস্থান নেয়।
উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. এনামুল কবির বলেন, বিদ্যালয়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলাকালে বিকেল ৩টার একটু পরে শুনলাম বিদ্যালয়ের গেটের বাইরে মারামারি লেগেছে।
এসময় আমি বিদ্যালয় বন্ধ করে দেই। পাশাপাশি উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষে নিয়ে যাই। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশ গিয়ে আমাদের উদ্ধার করেন।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ওসি আব্দুল আলীম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মহাসড়কে সন্ধ্যার আগেই যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
অবরুদ্ধ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে পুলিশ তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সহায়তা করে।
