ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৭ আগস্ট ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন
  3. আন্তর্জাতিক
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. টপ নিউজ
  7. ধর্ম
  8. ফিচার
  9. বিনোদন
  10. রাজনীতি
  11. লাইফস্টাইল
  12. লিড নিউজ
  13. শিক্ষাঙ্গন
  14. সম্পাদকীয়
  15. সারাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মানতে বাধ্য নই, ঘোষণা পাকিস্তানের

Doinik Kumar
আগস্ট ২৭, ২০২৬ ৬:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত একতরফা নিষেধাজ্ঞা নিজেদের জন্য বাধ্যতামূলক নয় বলে জানিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ বলেছে, তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এসব নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে তারা মনে করে না। তাই এ ধরনের বিরোধ নিষেধাজ্ঞা ও চাপ প্রয়োগের পরিবর্তে সংলাপের মাধ্যমে সমাধানের পক্ষে পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহের আন্দ্রাবি এ অবস্থানের কথা জানান।

তিনি বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ মনে করে না পাকিস্তান। ফলে এসব নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তান নিজেকে আবদ্ধ বা বাধ্য মনে করে না।

পাকিস্তানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বিরোধ ও মতপার্থক্য সমাধানের সবচেয়ে কার্যকর পথ হলো আলোচনা ও কূটনৈতিক সংলাপ। কোনও দেশের ওপর একতরফা অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আলোচনায় বসা উচিত।

ইরানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
পাকিস্তানের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে নতুন একাধিক নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার কথা জানান।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে ইরানকে বিভিন্ন বিষয়ে ছাড় দিতে বাধ্য করার কৌশল গ্রহণ করেছে। নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলোও সেই বৃহত্তর চাপ প্রয়োগের নীতির অংশ বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন নীতির কারণে দেশটির ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে। এসব নিষেধাজ্ঞার আওতায় ইরানের বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, আর্থিক নেটওয়ার্ক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

ইসলামাবাদের অবস্থান কেন গুরুত্বপূর্ণ
ইরানের প্রতিবেশী পাকিস্তানের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে এবং নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক স্বার্থ জড়িত।

ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নীতির বিষয়ে ইসলামাবাদের অবস্থান আঞ্চলিক কূটনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক চাপ যখন ক্রমেই বাড়ছে, তখন পাকিস্তান সরাসরি জানিয়ে দিল—যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞাকে তারা আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা হিসেবে দেখছে না।

পাকিস্তান একই সঙ্গে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। ইসলামাবাদের মতে, পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব।

এর ফলে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে পাকিস্তান একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকেরা।

ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের নতুন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কতটা বিস্তৃত হবে এবং পাকিস্তান-ইরান বাণিজ্য ও অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় কার্যক্রমে এর কোনও প্রভাব পড়ে কি না, তা নজরে রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র: আল-জাজিরা

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।