হারুন-অর-রশীদ
ফরিদপুর শহরের চানমারী কমলাপুর এলাকার বাসিন্দা পারভীন বেগম (৫৫)। ১৭ বছর আগে লিভার ক্যান্সারে স্বামী ছরোয়ারকে হারিয়েছেন। তিন মেয়ে নিয়ে তখন থেকেই শুরু হয় তাঁর একার লড়াই।
মানুষের বাড়িতে কাজ করেছেন, শহরে ছোট চায়ের দোকান চালিয়েছেন প্রায় দশ বছর। করোনার ধাক্কায় সেই দোকানও বন্ধ হয়ে যায়। এখন একটি ম্যাচে রান্নার কাজ করেন, মাসে পান মাত্র সাড়ে তিন হাজার টাকা।
তিন মেয়ের মধ্যে মেঝ মেয়ে শাহানার বিয়ে ঠিক হয়েছে ফরিদপুর সদরের ঈশান গোপালপুর এলাকায়। পাত্র কৃষিকাজ করেন। কিন্তু বিয়ের খরচ জোগাড় করতে পারছেন না পারভীন।
বাধ্য হয়ে তিনি এখন মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছেন। সামান্য সহায়তা পেয়ে তাঁর মুখে যে স্বস্তির হাসি ফোটে, সেটাই বলে দেয়-একটু সহমর্মিতা কতটা বদলে দিতে পারে একজন অসহায় মায়ের জীবন।