নিজস্ব প্রতিবেদক, বোয়ালমারী

বোয়ালমারী উপজেলায় নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব সংহতি দিবসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ আগুন দিয়ে পোড়ানোর ঘটনায় দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই শনিবার ( নভেম্বর) রাতে বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। দুটি মামলায় আসামি করা হয়েছে ৮৭৬ জনকে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি।

গত নভেম্বর বিকালে জাতীয় বিপ্লব সংহতি দিবস পালনে কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহসভাপতি, ফরিদপুর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপ এবং বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। 

সংঘর্ষের সময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, বিএনপির অফিস ভাঙচুর মারধরের ঘটনা ঘটে।

এই সকল ঘটনায় খন্দকার নাসিরুল ইসলামের গ্রুপের বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়াকে প্রধান আসামি করে, জনতা পার্টির নম্বর উপদেষ্টা সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরকে নম্বর আসামি করে ৩৮ জনের নাম উল্লেখপূর্বক এবং অজ্ঞাত ৩০০৪০০ জনকে আসামি করে শনিবার থানায় এজাহার দেন। 

অপরদিকে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি শামসুদ্দিন ঝুনু মিয়া গ্রুপের সাবেক উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবর রহমান বাবু বাদী হয়ে খন্দকার নাসিরুল ইসলামকে নম্বর আসামি করে ১৮৮ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত ২০০২৫০ জনকে আসামি করে থানায় এজাহার দেন। পৃথক দুটি মামলা শনিবার রাতে নথিভুক্ত করা হয়।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদুল হাসান রোববার সকালে বলেন, “বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ভাঙচুর মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দুই পক্ষের বিরুদ্ধেই পৃথক দুটি বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।