দুই দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে আন্তর্জাতিক গৌরবের খোঁজে থাকা লিওনেল মেসি এখনও থামেননি। আর্জেন্টিনার এই কিংবদন্তি জানিয়েছেন, তিনি আশা করছেন উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন। তবে সেটি নির্ভর করবে তার শারীরিক সক্ষমতা ও ফিটনেসের ওপর।

এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেছেন, ‘বিশ্বকাপে থাকা মানেই এক অসাধারণ অভিজ্ঞতা। আমি অবশ্যই থাকতে চাই। চাই ভালো থাকতে, ফিট থাকতে, এবং দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে। তবে আমি দেখব, আগামী বছর ইন্টার মায়ামির প্রি-সিজন শুরু হলে আমার শরীর কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেয়। আমি যদি ১০০ শতাংশ ফিট থাকতে পারি, যদি দলের উপকারে আসতে পারি; তাহলে সিদ্ধান্ত নেব।’

৩৯ বছরে পা দিতে চলা এই তারকা সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামির সঙ্গে তার চুক্তি বাড়িয়েছেন ২০২৮ পর্যন্ত। অর্থাৎ, আপাতত অবসর নিয়ে ভাবছেন না তিনি।

২০০৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে বার্সেলোনার জার্সিতে পেশাদার অভিষেক ঘটে মেসির। এরপর তিনি খেলেছেন প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও ২০২৩ সালে যোগ দিয়েছেন ইন্টার মায়ামিতে। তার আগমনেই যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের জনপ্রিয়তা নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। সেটিও ঠিক এমন সময়, যখন দেশটি মেক্সিকো ও কানাডার সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজন করতে যাচ্ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ।

ক্লাব ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্রায় সব অর্জনই আছে মেসির ঝুলিতে। তবে জাতীয় দলের সাফল্য পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে অনেকদিন। ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা জয়ের পর ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে পূর্ণতা পান এই আর্জেন্টাইন জাদুকর।

আর্জেন্টিনার হয়ে এখন পর্যন্ত ১৯৫ ম্যাচে মেসির গোল ১১৪, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। যদি তিনি ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেন, তবে সেটি হবে তার ষষ্ঠ আসর।