মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, বারবার নির্দেশনা দেওয়ার পরও প্রতিষ্ঠান প্রধানরা সঠিকভাবে শূন্য পদের তথ্য সাবমিট করেননি।
যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রধান ভুল চাহিদা বা ভুল তথ্য দিয়েছেন, নীতিমালা অনুযায়ী তাদের এমপিও তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে এটি কম হতে পারে। তবে ঠিক কতজন প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও স্থগিত করা হবে, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’
ভুল চাহিদার কারণে জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ইতোমধ্যে নিয়োগ সুপারিশ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রার্থীদের আবেদনের সময়সীমা অতিবাহিত হয়ে যায় এবং অনেক প্রার্থী উল্লিখিত বাতিলকৃত শূন্যপদে তাদের পছন্দ প্রদান করেন। উপরন্ত উক্ত শূন্যপদ বাতিলের বিষয়টি মাউশি অধিদপ্তর কর্তৃক সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবগত করানো হয়নি। ফলে এনটিআরসিএ কর্তৃক সার্বিক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে জটিলতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে।’