নিজস্ব প্রতিবেদক, সালথা
ফরিদপুরের সালথায় কুমার নদের বড়দিয়া ও দিয়াপাড়া ঘাটে কোনো মাঝি নেই। নৌকার সঙ্গে বাঁধা রশি টেনেই যাত্রীদের নদী পার হতে হয়।
গট্টি ইউনিয়নের এই ঘাট দিয়ে পূর্ব পাড়ের বড়দিয়া বাজার, মেহেরদিয়া, নারায়নদিয়া, ছোট লক্ষণদিয়া ও বড় লক্ষণদিয়া এবং পশ্চিম পাড়ের দিয়াপাড়া, রসুলপুর, রঘুরামপুর, জয়ঝাপ ও বালিয়াগাটি গ্রামের মানুষ চলাচল করেন।
দুই পাড়ে একাধিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও হাসপাতাল আছে। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পেরিয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। বর্ষায় ঢেউ ও স্রোত বাড়লে দুর্ভোগ বাড়ে। নারী, শিশু ও অসুস্থ মানুষ পড়েন বিপাকে।
কলেজছাত্রী তামান্না আক্তার বলেন, “মেয়েদের রশি টেনে নৌকা পার হওয়া কষ্টসাধ্য। তাই ঘাটে পুরুষের অপেক্ষায় থাকতে হয়। অনেক সময় ক্লাসের সময় পেরিয়ে যায়।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কৃষকদের ফসল নিয়ে বাজারে যেতে ১০-১৫ কিলোমিটার ঘুরতে হয়। সেতু হলে সময় ও খরচ কমবে। দীর্ঘদিন দাবি জানালেও দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই বলে তাঁদের অভিযোগ।
সালথা উপজেলা প্রকৌশলী আবু জাফর মিয়া বলেন, সেতুর প্রস্তাব যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রীর ডিও লেটারও তিনি পেয়েছেন। দ্রুত ব্রিজ নির্মাণের আশা করছেন তিনি।