ডারউইন টেস্টে প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড, নাথান লায়নদের নিয়ে গড়া বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলিং আক্রমণও অনেকটা অসহায় ছিল বাংলাদেশের ব্যাটারদের সামনে।
নিজেদের চেনা ছন্দে বোলিং করতে না পারার পেছনে শান্ত-তানজিদ-মিরাজদের বিপক্ষে খেলার অনভ্যস্ততাকে দায়ী করেছেন এই ম্যাচেই ৩০০ টেস্ট উইকেটের মাইলফলক ছোঁয়া হ্যাজলউড।
আজ তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে হ্যাজলউড বলেন, ‘কিছু ব্যাটার থাকে, যাদের বিপক্ষে আমরা নিয়মিত খেলি না। এই ধরনের কন্ডিশনে বাংলাদেশের ব্যাটারদের নিয়ে খুব বেশি ফুটেজও আমাদের কাছে নেই।
তাই খেলার মাঝেই আমাদের সব বুঝে নিতে হচ্ছে। বাংলাদেশের ইনিংসের প্রথমার্ধে রান একটু বেশি দ্রুতই এসেছে। যদি আমরা টানা কিছু মেডেন ওভার করতে পারতাম, তাহলে ওদের ওপর চাপ তৈরি হতো।’
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে বাংলাদেশের পেসাররা দাপট দেখালেও অনেকটাই নিষ্প্রভ ছিলেন স্বাগতিক বোলাররা। ৬৭ রানে এগিয়ে থেকে এখনো সুবিধাজনক অবস্থানে আছে সফরকারীরা।
এমন কঠিন পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ বাঁচানোর জন্য ভাগ্যের ছোঁয়াও পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তাসকিন আহমেদের বল ক্যামেরন গ্রিনের ব্যাটের ইনসাইড এজ হয়ে স্টাম্প খানিকটা স্পর্শ করলেও সবাইকে অবাক করে অনড় থাকে বেলস। জীবন পান গ্রিন।
দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার ভরসা হয়ে ৪৩ রানে অপরাজিত আছেন গ্রিন। তবে ম্যাচ বাঁচাতে এমন ভাগ্যের সহায়তার দিকেই তাকিয়ে হ্যাজলউড, ‘ক্রিকেটে ভাগ্যের অবশ্যই প্রয়োজন আছে। তবে গ্রিনের খেলার ধরন ভালো ছিল। সে শুরু থেকেই রান করার চেষ্টা করেছে। ভাগ্য তো মাঝে মাঝে অনেক দূর নিয়ে যায়। তাই বলা যায় না এটাই টার্নিং পয়েন্ট কি না।’
দীর্ঘদিন পর অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে এসেও বাংলাদেশের পেসাররা ভালো করায় তাদের কৃতিত্ব দিয়েছেন হ্যাজলউড, ‘বাংলাদেশের পেসাররা এই কন্ডিশনে খুব ভালো বোলিং করেছে। প্রথম দিনের শুরুর দিকে তারা উইকেট থেকে সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছে এবং সেটা তারা দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে। আমার মনে হয় বাংলাদেশের পেসাররা ফুল লেংথে বেশ ভালো বোলিং করেছে।’
