ফরিদপুরের সদরপুরে লাইসেন্স ছাড়া গবাদি পশুর নিম্নমানের ক্ষতিকর ভিটামিন ও মিনারেল উৎপাদন করে বিক্রয়ের অপরাধে এক দোকানিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ তৈরীকৃত ২২৭ কেজি গো-খাদ্য জব্দ করেছেন উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাড়ে সাত রশি বাজার এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. সব্যসাচী মজুমদার, সদরপুর থানার এসআই আসাদুজ্জামান রিপন ও সঙ্গীয় ফোর্স।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সদরপুরের সাড়ে সাতরশি বাজার
এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল গো খাদ্য উৎপাদন করে আসছিল ‘সদরপুর পোল্ট্রি ফিড’ নামের এক দোকান।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ দুপুরে দোকানটিতে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসনের একটি দল। অভিযানের সময় দোকানটিতে লাইসেন্স ছাড়া গবাদি পশুর নিম্নমানের ক্ষতিকর ভিটামিন ও মিনারেল উৎপাদন করে বিক্রয়ের সত্যতা পাওয়া যায়। পরে মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন ২০১০ দোকানের মালিক মো. দেলোয়ার হোসেনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও তৈরিকৃত ২২৭ কেজি পণ্য ও মালামাল ধ্বংসের জন্য অভিযানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সব্যসাচী মজুমদারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সব্যসাচী মজুমদার বলেন, ‘ভিটামিন ও ক্যালসিয়ামের নামে নিম্ন মানের চুন পাউডারের সঙ্গে ভ্যানিলা ফ্লেভার মিশিয়ে মেয়াদহীন ভেজাল ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম ২২৭ কেজি গো-খাদ্য ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া বলেন, ‘সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আগামীতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এসব ভেজাল গো-খাদ্য বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। ভেজাল ওষুধ দিয়ে গরু মোটা তাজা করন করলে এসব গরুর মাংশ মানব দেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।’
