গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার ডোমরাকান্দি নূরুল ইসলাম ফাজিল মাদ্রাসায়।
জানাগেছে,উপজেলার ডোমরাকান্দি নূরুল ইসলাম ফাজিল মাদ্রাসা কতৃপক্ষ অফিস সহকারি কাম-কম্পিউটার অপারেটর এবং নিরাপত্তা প্রহরী পদে জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন গুলি যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীরা ০৭ নভেম্বর ২০২৫ নিয়োগ নির্বাচন পরিক্ষায় অনুষ্ঠিত হয়। বিধি মোতাবেক দুই পদে দুইজনকে নিবার্চিত করে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বোর্ড। ১০ নভেম্বর মাদ্রাসার গভনিং বডি ওই নিয়োগের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে অনুমোদন করেন। অধ্যক্ষ স্বাক্ষরিত কাগজপত্র এবং নিয়োগ দানের সুপারিশ পত্র ১১ নভেম্বর ও পাঠানো হয় ডিজি অফিসে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ জাকারিয়া দাবী করেন, নিয়োগ বোর্ডে যাবতীয় কাগজপত্র (নথিপত্র)এবং মাদ্রাসার অফিসিয়াল ওয়েব সাইডের গোপন পাসওয়ার্ড চুরি করে তার সহকর্মী সহকারি অধ্যাপক মোঃ ওবায়দুর রহমান এবং জুনিয়র শিক্ষক জাহিদুল আলম কর্মচারি নিয়োগের কাগজপত্রে জাল স্বাক্ষর করে ডিজি অফিসে পাঠিয়েছেন।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ মোঃ জাকারিয়া কাশিয়ানী থানায় এবং ডিজি অফিসে লিখিত অফিযোগ করেছেন। তিনি এ প্রতিবেদক কে জানান, নিয়োগ বোর্ডে কাগজপত্র এবং মাদ্রাসার অফিসিয়াল ওয়েব সাইডের গোপন পাসওয়ার্ড চুরি করে আমার স্বাক্ষার জাল করে নিয়োগের সুপারিশ ডিজি অফিসে পাঠানো হয়েছে। আমি কাশিয়ানী থানায় এবং ডিজি অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছি বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
গর্ভনিং বডির সহ-সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান ফোন করে এ প্রতিবেদককে জনান,তিনি কোন প্রকার কাগজপত্রে স্বাক্ষর করেন নাই। তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত অধ্যাপক মোঃ ওবায়দুর রহমান এবং জুনিয়র শিক্ষক জাহিদুল আলম এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা এ ধরনের কোন ঘটনার সাথে জড়িত নাই।
আমরা কম্পিউটার চালাতেও পারিনা। নিয়োগ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র অধ্যক্ষ নিজেই স্বাক্ষর করে বিধি মোতাবেক ডিজি অফিসে পাঠিয়েছে। তার যথেষ্ট প্রমান আছে। প্রকৃতপক্ষে ভালো ভাবে তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে।
